বরিশালে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু-মুরগি, বাজারে সবজির দাম বৃদ্ধি


faizahmmed1994@gmail.com প্রকাশের সময় : মার্চ ১৭, ২০২৩, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ /
বরিশালে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু-মুরগি, বাজারে সবজির দাম বৃদ্ধি
বরিশালে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু-মুরগি, বাজারে সবজির দাম বৃদ্ধি

জামাল কাড়াল বরিশাল ব্যুরো প্রধান ::

আর মাত্র কয়েকদিন বাকি রমজানের মাসের, মুরগী ও গরুর মাংস খাওয়া থেকে সরে যাচ্ছে  নিম্ম ও মধ্যবিত্ত পরিবাররা। সপ্তাহে বাজারে সবজির দাম বৃদ্ধি, আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি। এছাড়া অপরিবর্তিত আছে অন্য সব পণ্যের দাম। শুক্রবার ১৭ মার্চ সকালে বরিশাল রুপাতলীসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে  দেখা যায় বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। লম্বা ও গোল বেগুনের কেজি ৮০ টাকা।
৪০ টাকা কেজি টমেটো। এছাড়া- শিম ৪০-৫০ টাকা, করলা ১০০-১২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০, পটল ৮০, ঢেঁড়স ১০০, কচুর লতি ১০০, পেঁপে ৩০-৪০, বরবটি ১২০ ও ধুন্দুল ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা।
এছাড়া আকার ভেদে লাউ ৫০-৬০ টাকা, চাল কুমড়া প্রতিটি ৫০-৬০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলার হালি ৪০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।
রুপাতলী বাজারের সবজি বিক্রেতা রাজ্জাক হাওলাদার বলেন এ গুলোর দাম বাড়তি আছে। অন্য সবজির দাম তেমন বাড়েনি। কিন্তু রোজার আগে সবজির দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আজকের বাজারেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি। ব্রয়লার মুরগির কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ২৫০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি ৩৫০ টাকা। লেয়ার মুরগির বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা কেজিতে।
মুরগি বিক্রেতা ফারুক বলেন আমার জীবনে কখনো ব্রয়লার মুরগি ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করিনি। দাম বাড়ার পেছনে মূল কারণ সিন্ডিকেট। রোজায় সিন্ডিকেটের কারণে আবারও বাড়তে পারে।
বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। এক কেজি গরুর মাংসের দাম ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা। বাজারে খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১০৫০-১১০০ টাকা কেজিতে।
মাংস বিক্রেতা গাজী বলেন, গরুর মাংসের দাম একটু কম আছে। অন্য সব বাজারে বিক্রেতারা সুযোগ পেলেই ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা রাখছে। কিন্তু এই বাজারে কেজি ৭২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মাংস।
তিনি আরও বলেন, দাম বেশি হওয়ায় মানুষ মাংস কিনে খেতে পারছেন না। রোজায় একটু দাম বাড়তে পারে। গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ টাকা হতে পারে।
এ বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। এক কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। বড় রসুন ১৩০-১৪০ টাকা কেজি। ছোট রসুনের বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকায়।
এছাড়া আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, চায়না আদা ২২০ টাকা, আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, খোলা চিনি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১৪০ টাকা, ইন্ডিয়ান মসুর ডাল ১২০-১২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে খোলা আটার কেজি ৬০ টাকা ও প্যাকেট আটা ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা আগে ৭০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেট আটা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।
বাজারে বর্তমানে সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে লিটার প্রতি ১৮৭ টাকা। লবণ ৩৮-৪০ টাকা কেজি বিক্রয় হচ্ছে