গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারে অন্তর্বর্তী সরকার

বাংলাদেশ চিত্র
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দিন ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ বাস্তবায়নে জনমত যাচাইয়ের লক্ষ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়সহ সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরের মাধ্যমে এই প্রচারণা চলছে।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকার প্রচারণার অংশ হিসেবে নতুন একটি পোস্টার প্রকাশ করেছে। এতে লেখা রয়েছে, ‘গণভোট ২০২৬। আমাদের সবার স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবে গড়ার জন্য ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন।’



এদিকে, দেশজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রচারণার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া। ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে (এনজিও) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পোশাক কারখানার সামনে ব্যানার ঝোলানো, জুমার খুতবায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে আলোচনা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ক্যাম্পেইন চালানোর কথাও জানা গেছে।

এ ছাড়া গণভোটের পক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, রাষ্ট্র সংস্কারে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হয়েছে। গণভোটে চারটি বিষয়ে একটি প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে মতামত জানাতে পারবেন ভোটাররা।

গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। ওই প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে। সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হওয়ার পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে। উচ্চকক্ষের মেয়াদ হবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।

বাংলাদেশ চিত্র অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন