রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
সিভিল সার্জন বলেন, দুই নারীসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। তবে নিহতদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।
এদিকে কালবৈশাখীর কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকে ঝড় শুরু হলে উদ্ধার অভিযানের পরিসর কমিয়ে আনতে বাধ্য হন ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা। এদিকে ঝড়ের কারণে দৌলতদিয়া এলাকার বিদ্যুৎও চলে গেছে।
এদিকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে ঢাকার ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তর থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। জানা গেছে, একটি ফেরি এসে পন্টুনে সজোরে আঘাত করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি নদীতে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’।
দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ অভিযান শুরু করে। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসটিতে ৫৬ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই পাঁচ থেকে সাতজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।



