সারা দেশে আগামী ২ মার্চ ‘জাতীয় ভোটার দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে কমিশন। আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইসি সচিব জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জাতীয় ভোটার দিবসের তারিখ নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা ও ভোটার সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, অন্যান্য বছরের মতো এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে দিবসটি পালনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জনে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের এই হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কমিশনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। নারী ও পুরুষ ভোটারের পাশাপাশি ভোটার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার।
নাগরিকদের ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে এবং তরুণদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই প্রতিবছর ২ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস পালন করা হয়। এই দিনে নতুন ভোটারদের হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
