বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের যুদ্ধক্ষমতা শক্তিশালী করতে ইনফ্যান্ট্রি পর্যায়ে সেমি-অটোমেটিক গ্রেনেড লঞ্চার (এসএজিএল) অন্তর্ভুক্ত করেছে। সেকশন বা স্কোয়াড পর্যায়ে ব্যবহৃত এই অস্ত্র একটানা ও দ্রুতগতিতে একাধিক গ্রেনেড নিক্ষেপে সক্ষম। এটি এরিয়া স্যাচুরেশন, সহায়ক ফায়ার এবং দ্রুত ধোঁয়া বা টিয়ার গ্যাস মোতায়েনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এই উদ্যোগের আওতায় দক্ষিণ আফ্রিকার মিলকর এমজিএল এমকে১ এবং তুরস্কের আরডিএস-৪০ এসএজিএল অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য যে, আরডিএস-৪০ একই সঙ্গে লো-ভেলোসিটি ও হাই-ভেলোসিটি রাউন্ড নিক্ষেপে সক্ষম, যা এটিকে আরও বহুমুখী করে তুলেছে।
দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এসব লঞ্চারের গ্রেনেড বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিজে উৎপাদিত হবে। আরডিএস-৪০ এর ক্ষেত্রে তুরস্কের রেপকন থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তর পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এই অগ্রগতি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ধারাবাহিক আধুনিকায়নের প্রতিফলন। এটি ইনফ্যান্ট্রি সেকশন পর্যায় পর্যন্ত বাহিনীকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা সজ্জিত বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে।
