ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আশুগঞ্জ উপজেলার আটটি কেন্দ্রে ভোট ছাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রুমিন ফারহানার এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি ও জমিয়ত জোটের মনোনীত প্রার্থী জুনাইদ আল হাবিব অভিযোগটি নাকচ করেছেন। তিনি বলেন, “ঘরে কেরে, আমি কলা খাই না এ ধরনের কথার কোনো ভিত্তি নেই। এসব বিষয়ে আমাদের কোনো খেয়ালই নেই। আমরা কল্পনাতেও এসব বিষয় আনিনি। কারণ আমরা ১৭ বছর ধরে ভোটের অধিকারের জন্য আন্দোলন করেছি। এখন ভোট ছাপানোর প্রশ্নই আসে না। নিশ্চয়ই তার ভেতরে কোনো ঘাফলা আছে, কিংবা কোনো পরিকল্পনা আছে। এসব কথা বলে তিনি নিজেরটা ঢাকার চেষ্টা করছেন।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আশুগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
জুনাইদ আল হাবিব বলেন, নির্বাচনী পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো দেখছেন। সরাইল এলাকায় এখনো না গেলেও সকাল থেকে আশুগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তবে সোহাগপুরের ঘটনাকে তিনি “দুঃখজনক” উল্লেখ করে বলেন, “এক ব্যক্তি প্রথমে স্কুলে ঢুকেছিল। পরে আমাদের লোকজন গেলে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এরপর পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট এসে যাচাই-বাছাই করেন। সে নিজের দোষ স্বীকার করেছে। সাক্ষীদের সাক্ষ্যে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাত দিনের সাজা দেওয়া হয়েছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, এখন বলা হচ্ছে তাকে বাড়ি থেকে বা রাস্তা থেকে ধরে আনা হয়েছে, মব করা হয়েছে এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।
সরাইলের আলীনগরে তার এক সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আমাদের লোকজনের ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে।” তবে তিনি দাবি করেন, কর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ উসকানি দিলেও যেন উত্তেজিত না হয় এটা জনাব তারেক রহমানের নির্দেশ। আমরা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। আন্তর্জাতিকভাবে মানসম্পন্ন একটি ভোট হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে জুনাইদ আল হাবিব বলেন, আমি কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে সবার সঙ্গে হাত মিলিয়েছি, দোয়া চেয়েছি। আমার মার্কার নামও উচ্চারণ করিনি। অথচ তিনি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে প্রকাশ্যে নিজের মার্কায় ভোট চাইছেন।
নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেন জুনাইদ আল হাবিব।
