বৈদেশিক সম্পর্ক জোরদারে নয়া কূটনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানকে রমজানের পর বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান তাঁর হাতে এই আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন।
একইসঙ্গে সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আলখারিজি আশা প্রকাশ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অচিরেই সৌদি আরব সফর করবেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকেও রিয়াদ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ বাংলাদেশের জন্য বিপুল সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। অন্যদিকে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। উভয়পক্ষ এসব সম্ভাবনা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে একমত হন।
বৈঠকে ওআইসি সচিবালয়ের কার্যকারিতা বাড়াতে গৃহীত সংস্কার উদ্যোগে বাংলাদেশের সমর্থন চান সৌদি কূটনীতিক।
এছাড়া ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন ড. খলিলুর। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই ধারাবাহিক সমর্থনের প্রশংসা করেন এবং আরব-ইসলামিক ব্লকের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে সমর্থনের আশ্বাস দেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরিং মোদু এনজির সঙ্গে বৈঠকে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা পরিচালনায় গাম্বিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ড. রহমান। আগামী এপ্রিলে বাগদাদে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে যৌথ ইভেন্ট আয়োজনে দুই দেশ একমত হয়েছে। গাম্বিয়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে আফ্রিকার দেশগুলোর সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে।
বৈঠকগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
