বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা একটি চিঠি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পাঠান ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান। পরবর্তীতে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও হস্তান্তর করেন।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, চিঠিটি বিরোধীদলীয় নেতার জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা ছিল। এতে মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে ‘বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা’ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, চিঠিতে বিরোধীদলীয় নেতা মি. হাসানের “দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন” এবং দেশের “পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নিতে” তাঁকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি “বিশেষভাবে বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান”। চিঠির নিচে শুধু বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষর রয়েছে বলেও জানায় মন্ত্রণালয়।
বিরোধীদলীয় নেতা লিখিত সম্মতি দিলে চিঠিটির পূর্ণ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রস্তুত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলছে, একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে জানানো হয় যে চিঠির বিষয়ে জামায়াতের আমির অবগত ছিলেন না।
“পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ সংঘটিত হয়নি,” বলা হয় বিবৃতিতে। বিবিসি বাংলা
