দুইদফা জানাজা শেষে চিরনিদ্রায় সমাহিত হলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী অধ্যাপক দিলারা হাফিজ। আজ সোমবার বিকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। এর আগে সকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আজম খান, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক প্রমুখ।
জানাজা শেষে মরহুমার কফিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রেসিডেন্টের পক্ষে জনবিভাগের সচিব, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, বিএনপির পক্ষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম ও অন্যান্য হুইপবৃন্দ এবং সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তাবৃন্দ।
শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বনানী সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত শনিবার বেলা ১১টা ২৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিলারা হাফিজ মারা যান। রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ১ মিনিটে বিমান বাংলাদেশের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। মৃত্যুকালে দিলারা হাফিজের বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি স্বামী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
১৯৪৯ সালের ২রা জানুয়ারি সুনামগঞ্জে জন্ম নেওয়া দিলারা হাফিজ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন।
