বিদেশ সফরে কোনো সংসদ সদস্য (এমপি) বাংলাদেশ মিশন পরিদর্শন কিংবা কোনো অনুষ্ঠান বা বৈঠকে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে দূতাবাসের সহযোগিতা চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিদেশে বাংলাদেশের সব রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারের কাছে পাঠানো এক বার্তায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের প্রধান মো. নুরল ইসলাম বার্তায় স্বাক্ষর করেন।
বার্তায় বলা হয়, এটা পর্যবেক্ষণ করা যাচ্ছে, সংসদ সদস্যরা বিদেশ সফরে গিয়ে প্রায়ই বিদেশে বাংলাদেশ মিশন পরিদর্শনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন বা স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা বা বেসরকারি পর্যায়ের প্রতিনিধিদেরর সঙ্গে বৈঠক বা অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য চ্যান্সারি ব্যবহারের অনুরোধ করেন।
এতে বলা হয়, এটা সিদ্ধান্ত হয়েছে, এখন থেকে এই ধরনের অনুরোধগুলো অবশ্যই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিতে হবে। সংসদ সদস্যদের কেউ এমন কর্মসূচির বিষয়ে দূতাবাসের দ্বারস্থ হলে তাদের এ সিদ্ধান্তের বিষয় মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।
বার্তায় আরও বলা হয়, এমতাবস্থায় সফরকারী সংসদ সদস্যদের কর্মসূচি আয়োজনের আগে এই সিদ্ধান্ত অনুসরণের জন্য সব মিশন প্রধানকে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মন্ত্রীদের সফরের ক্ষেত্রে দূতাবাস বা হাইকমিশন এমনিতে জড়িত থাকে। কিন্তু সংসদ সদস্যদের কর্মসূচি নিয়ে অনেক সময় দ্বিধাদ্বন্দ্ব বা জটিলতা তৈরি হয়।’
তিনি বলেন, ‘প্রায়ই সংসদ সদস্যরা ব্যক্তিগত সফরে কিংবা চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন দেশে গিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চান। তার সঙ্গে যুক্ত হতে গিয়ে দূতাবাসকে হিমশিম খেতে হয়।’
সেই কারণে সংসদ সদস্যদের কর্মসূচির আয়োজন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে হলে ‘সবার জন্যই সুবিধাজনক’ হবে বলে মনে করে মন্ত্রণালয়।
