সিলেটেও জিততে চায় উইন্ডিজ

বাংলাদেশ চিত্র
প্রকাশ : ৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০১ এএম

ঢাকা টেস্টে জয়ের পর এবার সিলেটে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামতে চায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে কোনো ধরনের ছাড় দিতে নারাজ ক্যারিবীয় দল। বছরটি জয় দিয়ে শেষ করার পাশাপাশি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চায় ড্যারেন স্যামির শিষ্যরা।

সিলেট টেস্ট সামনে রেখে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি দলের জয়ের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, বাংলাদেশে আসার পর থেকেই অধিনায়ক রোস্টন চেজ দলের সামনে লক্ষ্য পরিষ্কার করে দিয়েছেন। বছরটি জয় দিয়ে শেষ করা দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে এর আগে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ জিতলেও কোনো সিরিজ জিততে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেই অপূর্ণতা ঘোচানোর ভালো সুযোগ দেখছেন স্যামি। তবে ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবেই বিবেচনা করছেন তিনি। বাংলাদেশ দলের কোচ ফিল সিমন্সের প্রসঙ্গ টেনে স্যামি বলেন, ‘প্রতিপক্ষও জয়ের জন্য সমানভাবে মরিয়া। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশেরও নিজস্ব লক্ষ্য রয়েছে। তবে দলের খেলোয়াড়দের ক্ষুধা, দৃঢ়তা ও কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতায় আমি সন্তুষ্ট।’ সিলেটে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার দল প্রস্তুত বলেও জানান ক্যারিবীয় কোচ।

ঢাকা টেস্টে স্পিন সামলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাফল্যের পেছনে চেন্নাইয়ে নেওয়া বিশেষ প্রস্তুতি ক্যাম্পের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন স্যামি। চেন্নাই সুপার কিংস একাডেমি ও শ্রী রামচন্দ্র সেন্টারে অনুশীলন দলের ব্যাটারদের স্পিন মোকাবিলার দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করেছে। ব্যাটিং কোচ ফ্লয়েড রাইফার ও হাইপারফরম্যান্স কোচ শ্রীরাম কৃষ্ণমূর্তির অধীনে এই প্রস্তুতি কাজে এসেছে বলে মনে করেন তিনি। স্যামির মতে, ঢাকা টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা বাংলাদেশের স্পিনারদের তুলনায় ভালো বোলিং করেছেন। একইভাবে ক্যারিবীয় ব্যাটাররাও স্পিন

সামলেছেন দক্ষতার সঙ্গে। বিশেষ করে চতুর্থ ইনিংসে ব্র্যান্ডন কিংয়ের অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসকে দলের জয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

ঢাকা টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য জোমেল ওয়ারিকান ও অধিনায়ক রোস্টন চেজেরও প্রশংসা করেন স্যামি। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন ওয়ারিকান। অন্যদিকে দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন চেজ। অধিনায়ক হিসেবে তার ধৈর্য ও নেতৃত্ব তরুণ ক্রিকেটারদের অনুপ্রাণিত করছে বলেও মনে করেন স্যামি।

বাংলাদেশ চিত্র অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন