Author: বাংলাদেশ চিত্র ডেস্ক

  • মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

    শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া) ব্রেন্ডান লিঞ্চ এবং ডিরেক্টর (দক্ষিণ এশিয়া) ইমিলি অ্যাসবি।

    সোমবার সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    সেসময় তাদের মধ্যে বাংলাদেশের শ্রম খাতের উন্নয়ন, ট্রেড ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন সহজীকরণ, শ্রম অধিকারে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ দফা বাস্তবায়ন এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

    উপদেষ্টা বলেন, শ্রম আইন ২০০৬ সংশোধনে শ্রম অধিকার সম্পর্কিত যুক্তরাষ্ট্রের ১১ দফার আলোকে গৃহীত পদক্ষেপ, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) রোডম্যাপ, শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ও ইউরোপীয় অ্যাকশন প্ল্যানে অন্তর্ভুক্তির অনেক বিষয়ে আইনি বিধান সন্নিবেশিত করা হয়েছে। যা আন্তর্জাতিক শ্রমমান নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ শিশুশ্রম বন্ধে আইএলও কনভেনশন ১৩৮ ও ১৮২ অনুস্বাক্ষরকারী দেশ।

    পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইএলও কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭ এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধে ১৯০ অনুস্বাক্ষর করা হবে। এটা হলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে আইএলও-এর ১০টি ফান্ডামেন্টাল কনভেনশন অনুস্বাক্ষরকারী দেশ হবে।

    শ্রম আইন সংশোধনে ট্রেড ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন বিষয়ে ইউএস প্রতিনিধি দলের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, নিবন্ধনের জন্য ন্যূনতম আবেদনকারীর সংখ্যা অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে শতকরা হারের পরিবর্তে সংখ্যাভিত্তিক হার সন্নিবেশিত হচ্ছে।

    এছাড়াও শ্রমিকদের ব্ল্যাকলিস্টিং নিষিদ্ধকরণ এবং করলে শাস্তির বিধান সংযোজন করা হবে। উপদেষ্টা শ্রমিক অধিকার রক্ষা, শোভন কর্মপরিবেশ ও পেশাগত স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

    এসময় তিনি মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ক্রেতা ব্র্যান্ডগুলোর কাছে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য প্রত্যাশিত ন্যায্যমূল্য (ফেয়ার প্রাইস) নিশ্চিতের অনুরোধ জানান।

    ব্রেন্ডান লিঞ্চ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শ্রম খাতের অগ্রগতির প্রশংসা করেন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শ্রম আইন সংশোধনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    উভয় পক্ষই শ্রম খাতে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও বাড়াতে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এসময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অমল কৃষ্ণ মণ্ডল, মো. হুমায়ুন কবীরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন এবং শ্রম বিষয়ক অ্যাটাশে লিনা খান উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র- বাসস।

  • শেখ হাসিনার শাসনামলে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে : ফিনান্সিয়াল টাইমস

    গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে বলে ব্রিটিশ দৈনিক ফিনান্সিয়াল টাইমস এক প্রামাণ্যচিত্রে দাবি করেছে। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য ভিত্তিক পত্রিকাটির প্রকাশিত এ ডকুমেন্টারির শিরোনাম ছিল ‘বাংলাদেশের হারানো বিলিয়নস: চোখের সামনেই লুট’।

    ডকুমেন্টারিতে উল্লেখ করা হয়, আন্দোলনকারী, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে তারা অনুসন্ধান করেছে কীভাবে এই বিপুল অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে এবং সেটি ফেরত আনার কোনো সম্ভাবনা আছে কি না।

    ডকুমেন্টারির শুরুতেই শেখ হাসিনার নাটকীয় ক্ষমতাচ্যুতির প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়। সেখানে ছাত্রনেত্রী রাফিয়া রেহনুমা হৃদি ও রেজওয়ান আহমেদ রিফাদসহ ফিনান্সিয়াল টাইমসের দক্ষিণ এশিয়ার ব্যুরোপ্রধান জন রিড, পণ্যবাজার সংবাদদাতা সুজানাহ স্যাভেজ, স্পটলাইট অন করাপশন-এর উপপরিচালক হেলেন টেইলর এবং ব্রিটিশ সংসদীয় প্রতিবেদক রাফে উদ্দিন অংশ নেন।

    প্রামাণ্যচিত্রে দাবি করা হয়, পাচার হওয়া অর্থ বিদেশে নেওয়া হয়েছে বাণিজ্যে অতিরিক্ত বা কম ইনভয়েসিং, হুন্ডি ও হাওয়ালা পদ্ধতি এবং যুক্তরাজ্যে সম্পত্তি কেনাবেচার মাধ্যমে। বিশেষ করে লন্ডনকে উল্লেখ করা হয়েছে প্রধান গন্তব্য হিসেবে, যেখানে বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের বিস্তৃত আর্থিক খাত ও লাভজনক সম্পত্তি বাজার এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় ছিল।

    এতে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার পরিবারের সদস্যরা—যার মধ্যে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকও রয়েছেন—বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের দুর্নীতির মামলায় অবকাঠামো প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত। এছাড়া প্রাক্তন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমের নামও উল্লেখ করা হয়েছে অর্থ পাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে।

    জন রিড জানান, তারা এমনসব ঘটনার বর্ণনা শুনেছেন যেখানে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বন্দুকের মুখে ব্যাংকের পরিচালককে অপহরণ করে জোরপূর্বক পদত্যাগ করিয়েছেন এবং তাদের শেয়ার শাসকগোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠদের কাছে হস্তান্তর করতে বাধ্য করেছেন।

    লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক মোশতাক খান বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে দুর্নীতি কোনো গোপন বিষয় ছিল না। তিনি আরও বলেন, ‘সেই সময় যা ঘটেছে, তার অনেক কিছুই যেন চলচ্চিত্রের গল্পের মতো। আমার বেশ কয়েকজন বন্ধু কারাবন্দি ছিলেন কুখ্যাত এক কারাগারে, যার নাম ছিল ‘হল অব মিররস’ বা ‘আয়না ঘর’। কারণ ভেতরে গেলে শুধু নিজেকেই দেখা যেত।’

    তিনি উল্লেখ করেন, গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের সহায়তায় প্রাক্তন শাসকগোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠরা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

    ফিনান্সিয়াল টাইমসের সংবাদদাতা সুজানাহ স্যাভেজ বলেন, ‘আমরা প্রায়ই মনে করি স্বৈরতন্ত্র ও ব্যাপক দুর্নীতি যেন কেবল দূরদেশেই ঘটে। কিন্তু বাস্তবে এটি বৈশ্বিক সমস্যা, আর যুক্তরাজ্যও এর কেন্দ্রবিন্দু।’

    তিনি আরও বলেন, অর্থ লুট হয়েছে- সেটা জানা এক বিষয়, কিন্তু তা ফেরত আনা সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। সম্পদ পুনরুদ্ধারের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো—প্রায়শই চুক্তি বা সমঝোতার প্রয়োজন হয়, অর্থ লুটকারীদের সঙ্গেই সমঝোতায় পৌঁছাতে হয়। এতে প্রশ্ন ওঠে—কতটা অর্থ ফেরত আনা যাবে আর তা জনগণের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে। ফৌজদারি মামলার জন্য খুবই কঠোর প্রমাণের মানদণ্ড পূরণ করতে হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পদ পুনরুদ্ধার টাস্কফোর্সের উপদেষ্টা ইফতি ইসলাম বলেন, ‘এটি ইতিহাসের সবচেয়ে জটিল প্রক্রিয়াগুলোর একটি।’

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকেও প্রামাণ্যচিত্রে দেখানো হয়।

    ইফতি ইসলাম বলেন, ‘অনেকে বলেন, সব ফেরত আনা সম্ভব নয়। আমি বলি, যতটুকু সম্ভব ততটুকু আমাদের লক্ষ্য। আমাদের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ খুঁজতে হবে, লেনদেনের ধারা অনুসরণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সহায়তা নিতে হবে।’

    তিনি উল্লেখ করেন, এক হিসাবে দেখা যাচ্ছে ব্যাংক ও ব্যবসা খাত থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার লোপাট হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সম্ভবত এটি বিশ্বের ইতিহাসে কোনো দেশের সবচেয়ে বড় অর্থপাচার।’

  • যশোরের শার্শায় বিদ্যুৎস্পস্টে নিহত ১!

    নাজমুল সুজন বিশ্বাস :: শার্শা-যশোর প্রতিনিধি:

    যশোরের শার্শায় বিদ্যুৎস্পস্ট হয়ে রাসেল হোসেন(১৪)নামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার(১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার গোগা ইউনিয়নের সেতাই গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।নিহত রাসেল ওই গ্রামের উত্তরপাড়ার আনারুল মন্ডলের ছেলে।

    সে সেতাই এসিআই ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিলো।নিহতের পরিবার সুত্রে জানা গেছে,স্কুলের ছুটির দিন হওয়ায় পিকনিক করার উদ্দেশ্য রাসেল ও কয়েকজন বন্ধু মিলে ওই গ্রামের মাঠে আম বাগানে কাঠখড়ি কুড়াতে গিয়েছিল।আম গাছের ভাঙ্গা ডালপালা নিয়ে আসার সময় অসাবধানতায় রাসেল ওই বাগান দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ এর তারে স্পর্শ হয়ে জ্ঞান হারায়।পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আব্দুল আলীম জানান,এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় পরিবারের জিম্বায় মরদেহটি দাফন করতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

  • এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী আবদুল হক

    এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী আবদুল হক

    বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সাবেক পরিচালক আবদুল হককে সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
    আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের (বিবিএফ) ব্যানারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। আবদুল হক বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি।

    বাংলাদেশ আজ এক সন্ধিক্ষণ অতিক্রম করছে, বিশ্ব বাণিজ্য যুদ্ধ ও আমাদের জাতীয় প্রেক্ষাপট মিলিয়ে আমরা সত্যিকারের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিতে রয়েছি জানিয়ে অনুষ্ঠানে আবদুল হক বলেন, এমতাবস্থায় গত এক বছরে সরকারি নীতিমালা প্রণয়ন বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের উপস্থিতি নেই চললেই চলে। অথচ দেশের সর্বোচ্চ বাণিজ্য সংগঠন হিসেবে এফবিসিসিআইয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি সুযোগ পেলে এই সংগঠনকে বিশ্বমানের করতে চেষ্টা করবো।
    আবদুল হক বলেন, দ্রুত এফবিসিসিআই নির্বাচন সম্পন্ন করে একটি নির্বাচিত পরিচালক পর্ষদ গঠন করতে হবে এবং তাদের নেতৃত্বে কার্যকর এফবিসিসিআই প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একজন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে এই কঠিন কাজ সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য আপনাদের সক্রিয় সহযোগিতা চাই।
    তে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাশরুর রিয়াজ, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি আবুল কাসেম হায়দার প্রমুখ।

  • ব্যাংক লোকসানে থাকলে কর্মকর্তারা বোনাস পাবেন না: গভর্নর

    ব্যাংক লোকসানে থাকলে কর্মকর্তারা বোনাস পাবেন না: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ব্যাংকের মূলধন ১০ শতাংশের নিচে হয় এবং প্রভিশন লস করে তাহলে ডিভিডেন্ড ও বোনাস দিতে পারবে না। এছাড়া কোনো কর্মকর্তাকে বোনাস দেয়া হবে না।
    ৬ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজধানীর এক হোটেলে সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশ এনআরবি আয়োজিত ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ; আসন্ন নির্বাচন, প্রবাসীদের অংশগ্রহণ, আগামীর অর্থনীতি বিষয়ক এক আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
    আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, চেষ্টা করছি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার। গত কয়েক বছর অর্থ ব্যবস্থায় শঙ্কা তৈরি হয়, একটা অস্থিরতা বিরাজ করছিল সেখান থেকে ফিরিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি এবং আংশিক হলেও কাজ করছি। ব্যালেন্স অব পেমেন্ট সবগুলোতেই উদ্বৃত্ত আছে এর কারণ হলো রেমিট্যান্সপ্রবাহ ২১ শতাংশ বেড়েছে আর সংকটের মধ্যে রফতানিও বেড়েছে।
    গভর্নর বলেন, ওপর মহল থেকেও কমিশন বাণিজ্য যেভাবে হতো তবে হুন্ডিও কমে এসেছে। ৩০ শতাংশ লিকেজ হতো প্রবাসী আয়ের। আমদানি কমেনি তবে মূল্যটা কমে এসেছে। মূল্য বাড়িয়ে পাচার করার মানুষ এখন দেশে নেই তাই ব্যয় কমেছে। যেভাবে অর্থ পাচার হতো সেভাবে এখন হয় না। এর পেছনে কাজ করছে সুশাসন। এজন্যই বেড়েছে রিজার্ভ।

    তিনি বলেন, ব্যাংকের মূলধন ১০ শতাংশের নিচে হয় এবং প্রভিশন লস করে তাহলে ডিভিডেন্ড ও বোনাস দিতে পারবে না। এ ছাড়া কোনো কর্মকর্তাকে বোনাস দেয়া হবে না। যদি তারা প্রভিশন লস করেন। তিন মাসের ঋণ অনাদায়ি থাকলে তাকে নন-পারফর্মিং লোন হিসেবে ধরা হবে।

    জুনের খেলাপি রিপোর্টে ৩০ শতাংশ খেলাপির আশঙ্কা করা হচ্ছে এ কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সরকারের সাথে রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে আলোচনা শুরু হবে ৫টি ব্যাংককে একীভূত করার বিষয়ে। এক-দুই বছরের মধ্যে ভালো করবে। কর্মকর্তা ও আমানতকারীদের জন্যও ভালো হবে।

  • তুরস্কে যাচ্ছে আনন্দ শিপইয়ার্ডের তৈরি ৫৫০০ টনের জাহাজ

    তুরস্কে যাচ্ছে আনন্দ শিপইয়ার্ডের তৈরি ৫৫০০ টনের জাহাজ

    তুরস্কে যাচ্ছে আনন্দ শিপইয়ার্ডের তৈরি ৫৫০০ টনের জাহাজ
বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড তুরস্কে রপ্তানি করছে সাড়ে পাঁচ হাজার ডেডওয়েট টনের অত্যাধুনিক বহুমুখী মালবাহী জাহাজ ‘ওয়েস ওয়ার’।  রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে এই জাহাজটি তুরস্কের খ্যাতনামা কোম্পানি নোপ্যাক শিপিং অ্যান্ড ট্রেডিং লিমিটেড-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে। হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রমিজ সেন।

    আনন্দ শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের নকশা ও প্রযুক্তিতে তৈরি এই জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ ফুট, প্রস্থ ৫৫ ফুট এবং গভীরতা ২৫ ফুট। শক্তিশালী ২,৭৩৫ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিনচালিত জাহাজটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২ নট গতিতে চলতে পারে। ইস্পাতের কয়েল, কয়লা, সার, খাদ্যশস্যসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল পরিবহনে সক্ষম এই জাহাজটি। এর আগে ২০২২ সালে, প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাজ্যের এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেড-এ ৬,১০০ ডেডওয়েট টনের জাহাজ রপ্তানি করে, যা সে সময় দেশের অন্যতম বড় জাহাজ রপ্তানি হিসেবে আলোচনায় আসে।

    ২০০৮ সালে ডেনমার্কে ‘স্টেলা মেরিস’ নামের কন্টেইনার জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে আনন্দ শিপইয়ার্ডের সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানির যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে দেশি ও বিদেশি ক্রেতাদের কাছে প্রতিষ্ঠানটি ৩৫০টিরও বেশি জাহাজ সরবরাহ করেছে।

    প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহেল বারী বলেন, ২০২২ সালের পর থেকে আবার ধারাবাহিকভাবে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয়েছে। তুরস্কে পাঠানো এই জাহাজটি এখন পর্যন্ত নির্মিত আমাদের সবচেয়ে বড় ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত জাহাজ।  তিনি বলেন, জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগিয়ে নিতে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্প সুদের অর্থায়ন দরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে ব্যাংক গ্যারান্টির পাশাপাশি বড় অঙ্কের নিজস্ব অর্থ জোগাড় করতে হয়, যা চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।



  • কামরুল হাসান শায়ক যিনি প্রকাশনা শিল্পকে নিয়ে গেছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে

    কেউ কেউ সাম্রাজ্য গড়েন, কেউ কেউ গড়েন সেতু। আর খুব অল্প কিছু মানুষ — যেমন কামরুল হাসান শায়ক — গড়েন দুটোই, তবে ইট-পাথর দিয়ে নয়, বই, স্বপ্ন আর অদম্য সংকল্প দিয়ে। আজ তাঁর ৬০তম জন্মদিন। আজকের দিনে আমরা শুধু জন্মদিন উদযাপন করছি না, আমরা উদযাপন করছি এক জীবনের সেই অধ্যায়, যা বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পকে দিয়েছে আধুনিকতা, আন্তর্জাতিক পরিচিতি এবং একটি সুদৃঢ় কাঠামো। ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, নীলফামারীর সৈয়দপুরে জন্ম নেওয়া কামরুল হাসান শায়কের শেকড় চাঁদপুরে হলেও, তাঁর চিন্তা, চেতনা ও কর্ম আজ ছড়িয়ে রয়েছে দেশজুড়ে, এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও। ১৯৯৩ সালে যখন দেশের প্রকাশনা শিল্প ধীরে চলা এক ট্র্যাডিশনাল যানে রূপান্তরিত, তখনই তিনি সাহসী সিদ্ধান্ত নেন—প্রযুক্তিনির্ভর, মানসম্পন্ন, আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ডের বই তৈরি করতে হবে। তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেননি, তা বাস্তবায়নের জন্য গড়েছেন প্রতিষ্ঠান, কাঠামো, দক্ষ জনবল। পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্সের নেতৃত্বে থেকে তিনি বাংলাদেশে বই প্রকাশনার নতুন যুগের সূচনা করেন। তাঁর হাত ধরেই বই মুদ্রণ, সম্পাদনা, ডিজাইন, প্রি-প্রেস, মার্কেটিং—সব কিছুতে আসে কাঙ্ক্ষিত আধুনিকতা। বাংলাদেশকে তিনি তুলে ধরেছেন আন্তর্জাতিক বইমেলায়—ফ্র্যাঙ্কফুর্ট, লন্ডন, কলকাতার মেলাগুলোতে যখন বাংলাদেশ অংশ নেয়, তখন তার পেছনে থাকে তাঁর কৌশলী নেতৃত্ব। তিনি ভূমিকা রাখেন বাংলাদেশের IPA-তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনে, এবং APPA-এর ওয়ার্কিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সেই জায়গায় দেশের নাম প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর কার্যনির্বাহী ভূমিকা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা সংগঠনে ছিল—বাংলাদেশ বুক পাবলিশার্স অ্যান্ড সেলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সহ-সভাপতি, অ্যাকাডেমিক অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক, PBS Ltd.-এর পরিচালক। তিনি ছিলেন বারোটোপা প্রিন্টার্স লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান, দুরসুন পাবলিকেশন্স, অক্ষরপত্র প্রকাশনী, Words and Pages-এর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তিনি শুধু প্রকাশনা নিয়ে কাজ করেননি, লিখেছেন নিজেও। শিশু-কিশোর সাহিত্যে তাঁর দুটি বই—‘জেমি ও জাদুর শিমগাছ’ ও ‘মৎস্যকুমারী ও এক আশ্চর্য নগরী’—পাঠকের প্রিয়তা পেয়েছে। পাশাপাশি তিনি প্রকাশনা পেশার জন্য একাধিক গাইডবুক রচনা করেছেন—‘মুদ্রণশৈলী ও নান্দনিক প্রকাশনার নির্দেশিকা’, ‘পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকরণ, সম্পাদনা ও প্রুফরিডিং’, ‘পুস্তক উৎপাদন ব্যবস্থাপনা’—যা আজ পেশাজীবীদের কাছে রেফারেন্স বই হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কামরুল হাসান শায়ক শুধু প্রকাশনার সংগঠক বা লেখক নন, তিনি একজন সংস্কৃতিচিন্তক ও সমাজসেবকও। তিনি বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সদস্য, SAARC চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, জাতিসংঘ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, FBCCI এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সক্রিয় সদস্য। তাঁর এই ছয় দশকের যাত্রা কেবল একজন মানুষের অর্জনের ইতিহাস নয়, এটি বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের অগ্রযাত্রার ইতিহাস। কামরুল হাসান শায়ক নিজেকে কখনোই সামনে আনেননি, বরং বই, লেখক ও প্রকাশনাকে সামনে এগিয়ে দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন—শব্দই শক্তি, জ্ঞানই অগ্রগতি। আজ তাঁর ৬০তম জন্মদিনে আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে শ্রদ্ধা জানাই এমন একজন মানুষকে, যিনি শব্দকে রূপ দিয়েছেন সেতুতে, বইকে বানিয়েছেন দেশের কণ্ঠস্বর, আর স্বপ্নকে করে তুলেছেন বাস্তবতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। শুভ জন্মদিন কামরুল হাসান শায়ক। আপনার জীবন বাংলাদেশের জ্ঞানভিত্তিক ভবিষ্যতের প্রতীক হয়ে থাক।

    আপডেট:: নাজমুল সুজন বিশ্বাস // শার্শা-যশোর //

  • চার দেশ থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার টন সার কিনবে সরকার

    চার দেশ থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার টন সার কিনবে সরকার

    নিজস্ব প্রতিবেদকদেশের কৃষি খাতে ব্যবহারের জন্য রাশিয়া, চীন, সৌদি আরব ও মরক্কো থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে কেনা হবে আরো ৩০ টন সার। সব মিলিয়ে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩২৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

    গতকাল সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ভার্চুয়ালি সভায় যোগ দেন।

    সভায় রাশিয়া, চীন, সৌদি আরব ও মরক্কোর প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সার কেনার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌদি আরবের মাদেন ও বিএডিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এতে ব্যয় হবে ৩৮৯ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৭৯৫ ডলার।

    রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে রাশিয়ার জেএসসি ও বিএডিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৩৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ১৫৪ কোটি ৯০ লাখ ৫১ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের দাম ধরা হয়েছে ৩৬১ ডলার।

    একইভাবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস ও বিএডিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ২১৫ কোটি ২৮ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪০ টাকা। প্রতি টন সারের দাম ধরা হয়েছে ৫৮৫ দশমিক ৩৩ ডলার।

    রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চীনের বানিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং লিমিটেড ও বিএডিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ৩৮৯ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের দাম ধরা হয়েছে ৭৯৩ দশমিক ৭৫ ডলার।

    শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে কাফকোর কাছ থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ক্রয়ের অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ১৭৪ কোটি ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের দাম ধরা হয়েছে ৪৭৪ ডলার। একই মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান সান ইন্টারন্যাশনাল এফজেডইর কাছ থেকে ২০ হাজার টন ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ১৯১ কোটি ৪৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা। প্রতি টনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৭৯ দশমিক ৫০ ডলার।

    এছাড়া সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ায় স্পট মার্কেটের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ৪৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৯৭ হাজার ৮৪১ টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ধরা হয়েছে ১১ দশমিক ৫৫ ডলার। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ইবতেদায়ি (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণী) স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এতে ব্যয় হবে ১২৭ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার ১১৪ টাকা। ৪৮টি দরপত্রের মাধ্যমে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৬৭টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ করা হবে।



    ভালো সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ ফিডটি অনুসরণ করুন


    Google News

  • জেনে নিন আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

    জেনে নিন আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনকে দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্যবসায়িক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য তাই মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন বৈদেশিক মুদ্রা।

    লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো:-

    দেশের মুদ্রা বাজারে ডলারের সর্বনিম্ন দাম ১২১ টাকা ৪৫ পয়সা, সর্বোচ্চ ১২২ টাকা ৬৫ পয়সা। গড় বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২১ টাকা ৩৫ পয়সায়।

    এছাড়া ব্রিটিশ পাউন্ড স্টারলিং কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৬৫ টাকা ৮৯ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৬৯ টাকা ৮৯ পয়সা। ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪৪ টাকা ৬৭ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪৯ টাকা ৫৭ পয়সা।

    মুদ্রা ক্রয় (টাকা) বিক্রয় (টাকা)
    ইউএস ডলার ১২১.৪৫ ১২২.৬৫
    পাউন্ড ১৬৫.৮৯ ১৬৯.৮৯
    ইউরো ১৪৪.৬৭ ১৪৯.৫৭
    জাপানি ইয়েন ০.৮১ ০.৮৪
    অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৭৭.৮৮ ৭৮.৭০
    সিঙ্গাপুর ডলার ৯২.৭১ ৯৬.৫৯
    কানাডিয়ান ডলার ৮৭.২৩ ৮৮.১৬
    ইন্ডিয়ান রুপি ১.৩৯ ১.৪০
    সৌদি রিয়েল ৩২.২৫ ৩২.৫
  • এক দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ১১১০ কোটি টাকা

    এক দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ১১১০ কোটি টাকা

    মার্কিন ডলার। ফাইল ছবি
    মার্কিন ডলার। ফাইল ছবি

    চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ৯ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় দাঁড়ায় এক হাজার ১১০ কোটি ২০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)। আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। আরিফ হোসেন খান বলেন, আগের বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম দিনে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৫ কোটি ডলার। এই সময়ের ব্যবধানে প্রবাসী আয় কমেছে পাঁচ কোটি ৯০ লাখ ডলার বা ৩৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

    অপরদিকে, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী আয় এসেছে ৪৯৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। আগের বছরের ১ জুলাই থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৪২৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এই সময়ের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৭০ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ১৬ দশমিক ৪০ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ৫২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। গত ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার, মে মাসে ২৯৬ কোটি ৯৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার, জুনে ২৮২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলার।