মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে জামালপুরে শিক্ষকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল


faizahmmed1994@gmail.com প্রকাশের সময় : মার্চ ১৪, ২০২৩, ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ /
মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে জামালপুরে শিক্ষকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

বিল্লাল হোসাইন, জামালপুর :

জামালপুরে মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকলের জন্য মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের সমান সুযোগ সৃষ্টি, মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করা, শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি বৈষম্য দূর করা ও মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) জামালপুর জেলা শাখা।

সোমবার (১৩ মার্চ) সকালে শহরের ফৌজদারী মোড়ে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বিটিএ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি মফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতি মেলান্দহ উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস সোবহান, সহকারী প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম, হযরত শাহ জামাল স্কুল এন্ড কলেজ সহকারী শিক্ষক মো. সাইদ কবির, মেলান্দহ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন, সিংহজানী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল রউফ আকন্দ, ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল হাকিম, নারিকেলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আনোয়ারা খাতুন, বগাবাইদ উচ্চ বিদ্যালয়েল সহকারী শিক্ষক আজিমুন নাহার শেলী, শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক এম এ মোতালেব প্রমুখ।

বক্তারা মানববন্ধনে বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি অনেক বৈষম্য রয়েছে। আমরা বেসরকারি শিক্ষকরা মাত্র ২৫ ভাগ উৎসব ভাতা, ১ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া ও ৫শ টাকা চিকিৎসা ভাতা পাই। অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। ফলে অনেক শিক্ষক-কর্মচারী টাকা পাওয়ার আগেই অর্থাভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এছাড়া অবসর সুবিধা ও

কল্যাণ ট্রাস্ট খাতে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪ ভাগ কর্তন করা হচ্ছে। নানা কারণে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনও এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। অবিলম্বে শিক্ষকদের এই দাবি মেনে নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তাঁরা।

মানববন্ধন শেষে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যারয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে শিক্ষকরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।