দেশের প্রধান বৃহৎ বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স টানা তিন বছর বেস্ট রিজিওনাল এয়ারলাইন্স (ইন্ডিয়া/দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল) ক্যাটাগরিতে নিজেদের সেরা অবস্থান ধরে রেখেছে।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এভিয়েশন রেটিং প্রতিষ্ঠান ‘স্কাইট্র্যাক্স’-এর ওয়ার্ল্ড এয়ারলাইন এওয়ার্ডসে প্রতিষ্ঠানটি আরও এক ধাপ এগিয়েছে। বেস্ট রিজিওনাল ক্যাটাগরিতে ২০২৪ সাল ও ২০২৫ সালে ইউএস-বাংলার অবস্থান ছিল পঞ্চম। তবে চলতি বছর বাংলাদেশের বেসরকারি এই সংস্থাটি এক ধাপ এগিয়ে চতুর্থ অবস্থানে উঠে এসেছে।
এভিয়েশন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্কাইট্র্যাক্স ওয়ার্ল্ড এয়ারলাইন এওয়ার্ডস যাত্রীদের ভোটের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন যাত্রী-সন্তুষ্টি জরিপ। এই জরিপে ধারাবাহাকভাবে টানা তিন বছর ধরে নিজেদের সেরা অবস্থান বজায় রাখা এবং অবস্থার উন্নতি প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃশ্যমানতা ও যাত্রীস্বীকৃতির ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
স্কাইট্র্যাক্স-এর তথ্য অনুযায়ী, এই পুরস্কার কার্যক্রম ১৯৯৯ সাল থেকে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যাত্রীদের অংশগ্রহণে এয়ারলাইনগুলোর বিভিন্ন শ্রেণিতে ফলাফল নির্ধারিত হয়।
স্কাইট্র্যাক্সের তথ্য বলছে, ওয়ার্ল্ড এয়ারলাইন এওয়ার্ডসের জন্য আঞ্চলিক এয়ারলাইন বলতে মূলত এমন ফুল সার্ভিস ক্যারিয়ারকে বোঝানো হয়, যারা প্রধানত প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত স্বল্প ও মাঝারি দূরত্বের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করে।
ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশি বেসরকারি একটি এয়ারলাইন হিসেবে ইউএস-বাংলা টানা তিন বছরের স্কাইট্র্যাক্স স্বীকৃতি দেশের এভিয়েশন খাতের আন্তর্জাতিক সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিফলন।
তিনি বলেন, দেশের আকাশপথকে আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা, আধুনিক উড়োজাহাজ বহর সম্প্রসারণ, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, অপারেশনাল দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক রুট নেটওয়ার্ক বিস্তারের মাধ্যমে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পরিসরে আরও দৃশ্যমান করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, স্কাইট্র্যাক্সের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির এই ধারাবাহিকতা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ, নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য, ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি এবং যাত্রীসেবায় প্রযুক্তিনির্ভরতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের এভিয়েশনকে আরও আন্তর্জাতিক পরিসরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য অব্যাহত রেখেছে।
