উচ্ছেদের পরও দখলমুক্ত হচ্ছে না সিডিএ’র জমি, ফের অভিযান

বাংলাদেশ চিত্র
প্রকাশ : ৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম

চট্টগ্রামের মইজ্জ্যারটেক মোড়ে সিডিএর জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ফের অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরের পর সিডিএর স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) হামীমুন তানজীনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে মইজ্জ্যারটেক মোড়ের জংশনসহ সড়ক ও সিডিএর জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

সিডিএর প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘মইজ্জ্যারটেক মোড়ের জংশনটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে।’

সিডিএ সূত্র জানায়, অভিযানে মইজ্জ্যারটেক মোড়ে আব্দুল মন্নানের দখলে থাকা ওয়েল ফুডের স্থাপনা, এস আলমের চেমন ইস্পাত লিমিটেডের সীমানাপ্রাচীর, কুলিং কর্নার, মুদির দোকান, বিকাশের দোকান, গোডাউন ও বেকারিসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এছাড়া সড়কের ওপর নির্মাণ করা ঝুপড়ি দোকানও উচ্ছেদের আওতায় আনা হয়।

তবে এ এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে এবারই প্রথম অভিযান নয়। কর্ণফুলীর পুরাতন ব্রিজঘাট থেকে মইজ্জ্যারটেক পর্যন্ত সিডিএর জায়গা দখলমুক্ত করতে এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালিয়েছে সংস্থাটি।

২০২৩ সালের মে মাসে পুরাতন ব্রিজঘাট এলাকায় প্রায় ২৫০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর দুই বছর পর ২০২৫ সালের মে মাসে পুরাতন ব্রিজঘাট, সৈন্যরটেক, খুদ্যেরটেক, আজিমপাড়া ও মইজ্জ্যারটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। একই সময়ে পুরাতন ব্রিজঘাট ও মইজ্জ্যারটেক মোড়ের কালারপোল সড়ক থেকেও উচ্ছেদ করা হয় তিন শতাধিক দোকান।

বারবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও পরিস্থিতির স্থায়ী পরিবর্তন হচ্ছে না। উচ্ছেদের কিছুদিন পরই বিভিন্ন স্থানে ফের নতুন করে স্থাপনা গড়ে ওঠার অভিযোগ রয়েছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি জায়গা পুনর্দখলের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে বারবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনায় বাড়ছে প্রশাসনিক ব্যয় ও জনভোগান্তি।

বাংলাদেশ চিত্র অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন