জামালপুরের মেলান্দহে ঐতিহ্যবাহী মালঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মিজানুর রহমানের (৩৮) বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মসজিদভিত্তিক মক্তবের শিক্ষক মাওলানা জোবায়ের (৩০) ভুক্তভোগীদের পক্ষে মেলান্দহ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত মুফতি মিজানুর রহমান ঢাকার ৩১২ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর ফরিদাবাদ এলাকার বাসিন্দা।
মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফরহাদ হোসেন ও ভুক্তভোগীরা জানান, তিন মাস আগে মাসিক ৪০ হাজার টাকা সম্মানির শর্তে মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে যোগ দেন মুফতি মিজানুর রহমান। যোগদানের পর থেকে তিনি মসজিদের নির্ধারিত আবাসনে সপরিবারে বসবাস করছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত মঙ্গলবার হংকং থেকে এক আত্মীয়ের পাঠানো স্বর্ণ বিমানবন্দর থেকে ছাড়িয়ে আনতে টাকা প্রয়োজন বলে জানান মিজানুর রহমান। এ কথা বলে তিনি স্থানীয় ১৪ থেকে ১৫ জন বাসিন্দার কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ধার নেন। পরে ওই রাতেই তিনি সপরিবারে সেখান থেকে চলে যান। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
ভুক্তভোগীরা জানান, মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্নভাবে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পাওয়ায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে থানায় অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে মালঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদের মক্তব শিক্ষক মাওলানা জোবায়ের বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে মুফতি মিজানুর রহমানের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম হক বলেন, মালঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
