রাজপথের লড়াকু সৈনিকঃ ত্যাগ ও আদর্শের অনির্বাণ শিখা রফিকুল ইসলাম রফিক

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ০১:১৩ এএম

বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপ্রকৃতি সব সময়ই আবর্তিত হয়েছে ছাত্ররাজনীতির গর্ভ থেকে উঠে আসা অকুতোভয় তরুণ নেতৃত্বকে কেন্দ্র করে। ক্ষমতার পালাবদল, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন কিংবা বৈরী রাষ্ট্রব্যবস্থার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে যাঁরা নিজেদের রাজনৈতিক আদর্শে অবিচল থেকেছেন, তাঁদের ইতিহাস সব সময়ই প্রেরণাদায়ী। সমকালীন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির মাঠপর্যায়ে তেমনই একজন পরীক্ষিত, ত্যাগী এবং অনন্য সাংগঠনিক দক্ষতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন রফিকুল ইসলাম রফিক। চরফ্যাশনের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া এই তরুণ কীভাবে অবর্ণনীয় নির্যাতন, বারবার কারাবরণ এবং রাজনৈতিক চক্রান্তের জাল ছিন্ন করে আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছেন, তা এক রোমাঞ্চকর এবং শিক্ষণীয় রাজনৈতিক উপাখ্যান।

মেধার আলোয় প্রস্ফুটিত শৈশব ও কৈশোরঃ

১৯৮৪ সালে ভোলার চরফ্যাশনের এক ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা আলহাজ্ব আব্দুল মালেক হাওলাদার ছিলেন এলাকার একজন সুপরিচিত ও সৎ ব্যবসায়ী এবং মাতা রাহিমা বেগম ছিলেন এক আদর্শবান নারী। স্বচ্ছল এবং সামাজিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ পরিবারে বেড়ে ওঠার কারণে লোককল্যাণের চেতনা এই ছাত্রনেতার মধ্যে মজ্জাগত ছিল। রাজনীতিতে আসার অনেক আগে থেকেই তিনি প্রখর মেধার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। ১৯৯৩ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে এবং ১৯৯৬ সালে অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেন। পরবর্তীতে দেশের অন্যতম প্রধান বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘পরিসংখ্যান’ বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। এই বিশ্লেষণী প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই পরবর্তীতে তাঁর দূরদর্শী সাংগঠনিক পরিকল্পনার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

রাজনীতিতে হাতেখড়ি ও রক্তাক্ত প্রথম প্রহরঃ

এই উদীয়মান নেতার রাজনীতিতে আগমন কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। শৈশবে পরিবার ও সমাজ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের দর্শন শুনে তাঁর অবচেতন মনে এক গভীর দেশপ্রেম জাগ্রত হয়। সেই আদর্শিক বিশ্বাস থেকেই ১৯৯৯ সালে কলেজ জীবনে পদার্পণ করেই ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়।

তবে তাঁর জন্য রাজনীতির শুরুটা মোটেও কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। যোগদানের মাত্র দ্বিতীয় দিনেই ছাত্রদলের একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে প্রতিপক্ষ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডাররা তাঁর ওপর অতর্কিত ও নৃশংস হামলা চালায়। রক্তাক্ত এবং গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে সেদিন হাসপাতালের শয্যায় যেতে হয়েছিল। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতেই এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা সাধারণ অনেককে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, কিন্তু তাঁর ক্ষেত্রে ঘটেছিল উল্টো। এই প্রথম আঘাত তাঁর ভেতরের প্রতিরোধস্পৃহাকে আরও তীব্র করে তোলে এবং জাতীয়তাবাদের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারকে ইস্পাতকঠিন করে তোলে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ও নেতৃত্বের বিকাশঃ

উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসার পর তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন। ঢাকার ছাত্ররাজনীতির অন্যতম প্রধান এবং উত্তাল এই কেন্দ্রে নিজের মেধা, সাহস ও স্পষ্টবাদিতার কারণে তিনি দ্রুতই স্পটলাইটে চলে আসেন। ২০০১-২০০২ সেশনে তিনি পরিসংখ্যান বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান এবং দক্ষতার পরিচয় দিয়ে পরবর্তীতে প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন। ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিনের আত্মত্যাগ ও রাজপথের সক্রিয়তার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ‘সভাপতি’র মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং দায়িত্ব লাভ করেন। তৎকালীন সময়ে ক্যাম্পাসে বিরোধীদলীয় ছাত্রসংগঠনের জন্য রাজনৈতিক স্পেস ছিল প্রায় শূন্য। কিন্তু তিনি তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও ছাত্রদলকে ক্যাম্পাসে একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে ধরে রাখতে সক্ষম হন।

১/১১-এর ক্রান্তিকাল ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নঃ

এই লড়াকু নেতার রাজনৈতিক জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে রাজপথে আন্দোলনে এবং রাষ্ট্রীয় কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের জরুরি অবস্থার সময় যখন দেশের রাজনীতিতে এক বিশাল বিপর্যয় নেমে আসে এবং বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব (বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী) তারেক রহমানকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গ্রেফতার করা হয়, তখন তিনি মঈন ইউ আহমেদ-ফখরুদ্দীন আহমদের অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে প্রথম প্রতিবাদী মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে পুলিশ তাঁকে বর্বরভাবে গ্রেফতার করে এবং তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে ২০১৩ সালের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন চলাকালে একটি মিছিল শেষে ডিবি পুলিশ তাঁকে পুনরায় গ্রেফতার করে। তখন তাঁকে কোনো আদালতে সোপর্দ না করে টানা তিন দিন সম্পূর্ণ অজ্ঞাত স্থানে ‘গুমসদৃশ’ অবস্থায় আটকে রেখে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শকে দমন করার জন্য তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই বর্বরতা তাঁর শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করলেও মানসিক শক্তিকে ভাঙতে পারেনি। রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট ৭ বার গ্রেফতার হন এবং প্রায় ৬ মাস ২০ দিন কারান্তরীণ থাকেন। কিন্তু কোনো জেল-জুলুম বা নির্যাতন তাঁকে তাঁর আদর্শ থেকে একচুলও নড়াতে পারেনি।

২০১৭ সালের ঐতিহাসিক নামফলক আন্দোলন ও ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্টঃ

তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং বীরত্বপূর্ণ অধ্যায়টি রচিত হয় ২০১৭ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জগন্নাথ কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করার পর ক্যাম্পাসে তাঁর নামে একটি ঐতিহাসিক নামফলক উন্মোচন করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৭ সালে তৎকালীন আওয়ামীপন্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ছাত্রলীগ ক্ষমতার জোরে সেই নামফলকটি ভেঙে ফেলে।
তৎকালীন সময়ে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের একচ্ছত্র সশস্ত্র আধিপত্যের মুখে সাধারণ কোনো শিক্ষার্থীর পক্ষে প্রতিবাদ করা তো দূরের কথা, কথা বলাই ছিল আত্মঘাতী। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি হিসেবে তিনি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন। প্রশাসনের সরাসরি হুমকি এবং গোয়েন্দা নজরদারি উপেক্ষা করে তাঁর নেতৃত্বে ছাত্রদল ক্যাম্পাসে লাগাতার ছাত্রধর্মঘট ও ঝটিকা মিছিলের ডাক দেয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নামফলক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য স্পষ্ট ২০ দিনের চূড়ান্ত সময়সীমা বা আল্টিমেটাম দেন।

তাঁর সুসংগঠিত আন্দোলন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রচ্ছন্ন সমর্থনে তৎকালীন উপাচার্য ও প্রশাসন ব্যাকফুটে চলে যেতে বাধ্য হয়। আন্দোলনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, ঘোষিত ২০ দিনের আল্টিমেটামের মাত্র ১৩ দিনের মাথায় প্রশাসন বেগম খালেদা জিয়ার নামফলকটি অবিকল আগের জায়গায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বাধ্য হয়। বৈরী রাজনৈতিক পরিবেশে প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে বিজয় ছিনিয়ে আনার এই ঘটনাটি বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। এই সাহসী ও সফল দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে তিনি তৎকালীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হন এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় সকল গণমাধ্যমে এটি প্রধান শিরোনাম হিসেবে প্রচারিত হয়।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলন ও মিরপুরের রাজপথে সম্মুখ সমরেঃ

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান তথা ‘জুলাই আন্দোলন’-এ এই ত্যাগী নেতা নিজের জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমে আসেন। বিশেষ করে ঢাকার অন্যতম উত্তাল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা মিরপুর ১০ নম্বরে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তিনি অসামান্য সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দেন।

আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ দিনগুলোতে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর ও এর আশপাশের এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের, বিশেষ করে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সর্বস্তরের কর্মীদের একক প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করার মূল কারিগর ছিলেন তিনি। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, টিয়ারশেল এবং বুলেটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও তিনি পেছপা হননি; বরং সম্মুখসারিতে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতার সাথে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। মিরপুরের রাজপথকে স্বৈরাচারমুক্ত রাখার এই আপসহীন ও সাহসী ভূমিকা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং সাধারণ আন্দোলনকারীদের মাঝে তাঁর গ্রহণযোগ্যতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।

স্বেচ্ছাসেবক দল ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন দিগন্তঃ

ছাত্ররাজনীতির বয়সসীমা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে স্থান পাননি। সাধারণত এই ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক নেতাই ক্ষোভে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান বা দল পরিবর্তন করেন। কিন্তু তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে দলের আদর্শকে বড় মনে করে তিনি সব সময় দলের সিদ্ধান্তের প্রতি অনুগত থাকেন।
২০২১ সালে ছাত্রদল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেওয়ার পর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলে যোগদান করেন। তাঁর দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৩ সালে ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাঁকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক’ পদে আসীন করা হয়। বর্তমানে তিনি ‘চট্টগ্রাম সাংগঠনিক টিম’- এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন, যার আওতায় রয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর জেলা, লক্ষ্মীপুর, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলা। সমতলের রাজনীতি থেকে শুরু করে পাহাড়ি অঞ্চলের জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ—সব জায়গায় স্বেচ্ছাসেবক দলকে সুসংগঠিত করতে তিনি বর্তমানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ত্যাগের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবিঃ

রফিকুল ইসলাম রফিক শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক দলীয় নেতাই নন, বরং একজন সমাজসচেতন নাগরিক। একজন সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার ও ছাত্রকল্যাণমূলক যেকোনো সংকটে তিনি সব সময় পাশে দাঁড়াতে গর্ববোধ করেন। দলের বাইরেও তিনি বিভিন্ন অরাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ছাত্রসংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেখানে প্রায়শই আদর্শের চ্যুতি এবং ক্ষমতার লোভ লক্ষ্য করা যায়, সেখানে তাঁর মতো একজন ত্যাগী, সাহসী ও পরীক্ষিত নেতা পুরো রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ। জাতীয়তাবাদের মূল দর্শন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র রক্ষা করার সংগ্রামে তিনি নিজেকে আজীবন নিবেদিত রাখতে চান। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই অকুতোভয় নেতৃত্বই আগামী দিনের বাংলাদেশের রাজনীতিকে সঠিক ও ইতিবাচক পথ দেখাবে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

বাংলাদেশ চিত্র অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সর্বশেষ সব খবর