প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তিনি বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি আমাদের অবস্থান পরিস্কার। আমাদের সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসনের সভাকক্ষে এই বৈঠক হয়।
তিন মাসে একবার পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সংবাদ মাধ্যমের আর্থিক সংকটের সঙ্গে একমতও পোষণ করেছেন এবং গণমাধ্যমের বকেয়া বিল পরিশোধের বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সদস্যরা সাক্ষাৎ করেছেন। তারা সংবাদপত্র শিল্পের নানা সমস্যার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী উনাদের বক্তব্য অধীর আগ্রহের সঙ্গে শুনেছেন।
প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতার প্রতি প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা স্পষ্টভাবে বলেছেন।
প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বলেছেন তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশন দেখেন। পত্রিকা ও গণমাধ্যমে খবরকে গুরুত্ব দেন। প্রকাশিত খবরের বিষয়ে তিনি খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবার পরে এটিই নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নোয়াবের সহ-সভাপতি এএসএম শহীদুল্লাহ খান, কোষাধ্যক্ষ আলতামাশ কবির, সদস্য এ কে আজাদ, দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, করতোয়া সম্পাদক মোজাজ্জেল হক, পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. রমীজউদ্দিন চৌধুরী এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর প্রকাশক নাসিম মনজুর।
