পটুয়াখালীতে সবজি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মো. সোহাগ (৩০) নামে এক যুবক আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ৭টার দিকে রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তিল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে গলাচিপা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা হলেন- মো. ফারুক প্যাদা (৫৫), তার ছেলে মো. সোহাগ (৩০) ও মোছা. মাহিনুর বেগম (৪৫)।
ফারুক প্যাদার অভিযোগ, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাদের ঢ্যাঁড়স গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে বিষয়টি দেখতে গেলে বজলু মাতুব্বরের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে বজলু মাতুব্বরের ছেলে যুবরাজ ও সুমন সেখানে এসে সোহাগকে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দেন। পরে লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সোহাগ বলেন, ‘পানিতে পড়ে যাওয়ার পর উঠে আসার সময় যুবরাজ আমাকে প্রথমে পেছনে ও পরে মাথায় আঘাত করেন। এতে মাথা ফেটে যায় এবং আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।’
প্রত্যক্ষদর্শী বাচ্চু ফকির ও নাচ্চু ফকির বলেন, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহাগকে যুবরাজ আঘাত করতে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বজলু মাতুব্বর, যুবরাজ, সুমন ও লিখন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বজলু মাতুব্বর বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। বরং আমাদেরই ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। আমার ছেলে যুবরাজকেও গাছের ডাল দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
জানা গেছে, ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে রাঙ্গাবালী চৌকি আদালতে সিআর মামলা এবং রাঙ্গাবালী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।’
