অগণিত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হলো দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক দেশ রূপান্তর। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী ‘ঢাকা ক্লাব’র ‘স্যামসন এইচ চৌধুরী’ সেন্টারে পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এসেছিলেন বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার গুণীজনরা। তাদের হাতে শুভেচ্ছার ফুল, মুখে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা। শুভেচ্ছা, আপ্যায়ন, আড্ডা, উচ্ছ্বাস অন্য ধরনের এক উৎসব। আর এই উৎসবে দেশ রূপান্তর পরিবারের দৃঢ়প্রত্যয় ছিল এই পত্রিকাটি মানুষের কথা বলবে। দায়বদ্ধতা থাকবে কেবল মানুষের কাছে। আর আমন্ত্রিত অতিথিদের আশাবাদ দেশ রূপান্তর নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সমন্বয়ে এগিয়ে যাবে আরও বহুদূর।

দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভিন্নতা থাকে সবসময়। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এসেছিলেন। সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ সদস্য, রাজনীতিক, কূটনীতিক, শিক্ষক, চিকিৎসক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাবেক ফুটবলার, কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, নাট্যাভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী, চলচ্চিত্রশিল্পী, মডেল থেকে শুরু করে প্রায় সব পেশার স্বনামধন্য মানুষ এসেছিলেন এই উৎসবে। সবার শুভেচ্ছায় সিক্ত হয় দেশ রূপান্তর পরিবার।
৭ বছরের বেশি সময়ের পথচলায় সফলতার গল্প যেমন শোনা গেছে তাদের মুখে, তেমনি ত্রুটি, বিচ্যুতি সামলে ভবিষ্যতে পথচলারও। যুগের চাহিদা পূরণ করে পাঠকের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে কীভাবে আরও ভালো কিছু করা যাবে, সেই প্রসঙ্গও এসেছে তাদের প্রাণখোলা আলোচনায়। দেশ রূপান্তরের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের এই আয়োজনটিকে উল্লেখ ও পরিচিত করা হয় ‘হৃদয়ে বাংলার মুখ’ হিসেবে। পত্রিকাটির সব পর্যায়ের কর্মীর পরনে ছিল দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের লাল-সবুজের পোশাক। তাদের মধ্যে ছিল উচ্ছ্বাস আর আনন্দের হিল্লোল।
২০১৮ সালের ২০ ডিসেম্বর কুয়াশায় ঢাকা শীতের সকালে ‘দায়িত্বশীলদের দৈনিক এই স্লোগানে পথচলা শুরু করে ১২ পৃষ্ঠার দেশ রূপান্তর। অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমের ব্যাপক প্রচার ও দাপটের সেই সময়ে পত্রিকাটির আগমনকে ঘিরে ছিল নানা আলোচনা, উৎসাহ ও শঙ্কা। কয়েকদিনের মধ্যেই শঙ্কা আর অনিশ্চয়তা পেরিয়ে পাঠক মহলে সাড়া ফেলে পত্রিকাটি। এই আয়োজনটিতে একটি নাম বারবারই এসেছে। তিনি অমিত হাবিব। দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। ২০২২ সালের ২৮ জুলাই আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন প্রথিতযশা এই সাংবাদিক।

সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরু হয় অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ। মঞ্চে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল, তার সহধর্মিণী রোকেয়া বেগম নাসিমা, কো-চেয়ারম্যান ও দেশ রূপান্তরের প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল, দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি ছিলেন। তারা একে একে অতিথিদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করতে থাকেন। ফাঁকে ফাঁকে চলে অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশলবিনিময়। মঞ্চের কাছেই আসনে বসে ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যানের পরিবারের সদস্য ও সমাজের বিশিষ্টজনরা। রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টাদের মধ্যে ছিলেন সাদাত সেলিম, আব্দুল গাফফার, ক্যাপ্টেন (অব.) পিজে উল্লাহ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। আরও ছিলেন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন।
আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণের পর শুরু হয় অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ কেক কাটা। কেক কাটার আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। এ সময় প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল অতিথিদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘দেশ রূপান্তরের এই যাত্রায় বস্তুনিষ্ঠতা, দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই ছিল আমাদের মূল পাথেয়। যা পাঠক, শুভানুধ্যায়ী ও সহযাত্রীদের আন্তরিক গ্রহণযোগ্যতায় শক্ত ভিত্তি পেয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘দেশ রূপান্তরের বিনিয়োগকারী রূপায়ণ গ্রুপ দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পগ্রুপ। এই গ্রুপ এবং গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল মনে করেন, দেশ-জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকতার ভূমিকা অপরিসীম। দেশের গণতান্ত্রিক বিকাশেও গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সে জন্যই আমরা অলাভজনক জেনেও পত্রিকায় বিনিয়োগ করেছি। পর্যায়ক্রমে রূপায়ণ একটি মিডিয়া গ্রুপও গড়ে তুলতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘একটি গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতা। দেশ রূপান্তর সেই বিশ্বাসযোগ্যতা ইতিমধ্যেই অনেকখানি অর্জন করেছে। দেশ রূপান্তর কথা বলবে ছাপা পত্রিকায় এবং অনলাইন ও ডিজিটাল মাধ্যমে।’

সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বলেন, ‘সংকটের সময়েই গণমাধ্যমের প্রকৃত শক্তি দৃশ্যমান হয়। কারণ গণমাধ্যম কেবল তথ্য পরিবেশন করে না, এটি সমাজের বিবেক, সময়ের আয়না এবং ভবিষ্যতের পথনির্দেশক।’
তিনি দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা দাঁড়াব মানুষের পক্ষে। আমরা দাঁড়াব সেই বাংলাদেশ বিনির্মাণের পক্ষে, যা গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক এবং মানবিক। আমরা দাঁড়াব যুক্তির পক্ষে, সংলাপের পক্ষে, সহনশীলতার পক্ষে। কারণ আমরা জানি মবের উল্লাস কখনো সভ্যতার ভাষা নয়; উগ্রতার আগুন কখনোই জাতির ভবিষ্যৎ আলোকিত করতে পারে না।’ রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘একটি সংবাদপত্রকে তারা দেখেছেন ব্যবসার চোখে নয়, দায়ের চোখে। এই বিনিয়োগ কেবল অর্থের নয়, এটি একটি দর্শনের বিনিয়োগ।’
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘রূপান্তর নামের মধ্যে একটি ব্যঞ্জন আছে। গণমাধ্যমও একটি চলমান রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ছাপা থেকে ডিজিটালের দিকে যাচ্ছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে গণমাধ্যমকে চলতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের পুরনো চিন্তা, ধ্যান-ধারণা ও মনোজগতের পরিবর্তন করতে হবে। দেশ রূপান্তর এক্ষেত্রে নির্ধারক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।’
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমি দেশবাসীর পক্ষ থেকে দেশ রূপান্তরকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ‘নামটা হচ্ছে দেশ রূপান্তর। আমরা আশা করব নামটা যে রকম, সে রকমই দেশটাকে রূপান্তরিত করার জন্য অবশ্যই তারা স্বচ্ছ ভূমিকা রাখবেন।’ জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা কারও কাছে নিরপেক্ষতা আশা করি না। কারণ নিরপেক্ষতা আমার কাছে অর্থহীন। বরঞ্চ আমি বস্তুনিষ্ঠতা আশা করি। যা বাস্তব, মানুষের সুখ-দুঃখ, ব্যথা-বেদনা, তাই যেন দেশ রূপান্তর তুলে ধরে।’
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী দেশ রূপান্তরের প্রকাশক, সম্পাদক ও বিনিয়োগকারীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘এই পত্রিকাটি আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা করি। বরাবরের মতোই তারা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠতার পরিচয় দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস।’
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘দেশ রূপান্তর জনস্বার্থের দিকগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে যাবে।’
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘দেশ রূপান্তর পত্রিকাটি দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে। তারা সবসময় মানুষের কথা বলে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করে। আগামী দিনেও তারা ন্যায়ের পক্ষে কথা বলবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
শুভেচ্ছা জানাতে এসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রের কথা বলি; কিন্তু সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র হতে পারে না এবং সংবাদপত্রের দিক থেকেও কিন্তু একটি দায়িত্ব রয়েছে, সেটি হচ্ছে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি এবং সেই স্বাধীনতা আমরা সবাই মিলে রক্ষা করব, একই সঙ্গে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাও রক্ষা করতে হবে।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি দেশ রূপান্তর বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথে রূপান্তরিত হওয়ার পথে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। তারা এগিয়ে যাক শত বছর, শত শত বছর, তারা অতিক্রান্ত করুক এবং বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাক।’
আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান।
বিএনপির সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এস এম জাহাঙ্গীর, ফখরুল ইসলাম, রেজাউল করিম বাদশা, হেলেন জেরিন খান, নেওয়াজ হালিমা আরলি, রেহানা আক্তার রানু, দীপু ভূঁইয়া প্রমুখ।
শুভেচ্ছা জানাতে এসে ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বাধে দেশ রূপান্তরের সাফল্য কামনা করেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দেশ রূপান্তরের সব কর্মীকে শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের পক্ষে বিশাল ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রাণবন্ত সঞ্চালনা করেন রূপায়ণ গ্রুপের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর হাবিবুর রহমান পলাশ ও শান্তা জাহান।
যা বললেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা
সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের সম্পাদক নুরুল কবির বলেন, দেশ রূপান্তর আরও সামনে এগিয়ে যাক, আমি সেই কামনা করি। নিউজ পেপারস অ্যাসোসিয়েশনের (নোয়াব) সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, “দেশ রূপান্তরকে চিনেছি ‘বালিশকাণ্ড’র প্রতিবেদনের পর থেকে। আমি আশা করব দেশ রূপান্তর তার নিরপেক্ষতা ধরে রেখে আরও ১০০ বছর বেঁচে থাকবে।’ দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ বলেন, স্বৈরাচারের আমলে গণমাধ্যমের কোনো স্বাধীনতা ছিল না। আমরা সত্য লিখতে পারিনি। বিগত দেড় বছর আমরা একটা ক্রান্তিকাল অতিক্রম করেছি। এখন এই সময়ে গণমাধ্যম দায়িত্বশীল ভূমিকা নেবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।’ সাংবাদিকদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক খবরের কাগজের সম্পাদক মোস্তফা কামাল, কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, দেশ রূপান্তরের সাবেক সম্পাদক ও প্রকাশিতব্য আগামীর সময়ের সম্পাদক মোস্তফা মামুন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন দৈনিক যুগান্তরের সাবেক সম্পাদক সাইফুল আলম, এশিয়ান টেলিভিশনের সিইও হাসনাইন খুরশীদ সূচী প্রমুখ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা
অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের পক্ষে জনসংযোগ কর্মকর্তা এ কে এম কামরুল আহছান শুভেচ্ছা জানাতে আসেন। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. সরওয়ার, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, টুরিস্ট পুলিশ প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মাইনুল হাসান, ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম, ডিসি মিডিয়া এন এম নাসিরুদ্দিন, ডিএমপি কমিশনারের স্টাফ অফিসার মাসুদ রানা, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. মিজানুর রহমান উপস্থিত হয়ে দেশ রূপান্তরকে ফুলের শুভেচ্ছা দিয়েছেন। এ ছাড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষে জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষে উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা আশিকউজ্জামান, কোস্ট গার্ডের পক্ষে আশরাফুর ও মমিনুর, নৌ-পুলিশের পক্ষে মিডিয়া শাখার পরিদর্শক আজহারুল ইসলাম ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষে সংস্থাটির মিডিয়া সেলের পরিচালক শাজাহান শিকদার, কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির শুভেচ্ছা জানাতে আসেন।
বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে আরও যারা এসেছিলেন
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল, অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর বা পঙ্গু হাসপাতাল) পরিচালক ও ড্যাবের সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কেনান, শ্যামলী টিবি হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আয়শা আক্তার প্রমুখ।
আইনজীবীদের মধ্যে এসেছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনালে প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস, এ এম জামিউল হক ফয়সাল প্রমুখ।
সাবেক ফুটবলারদের মধ্যে শেখ মো. আসলাম, আশরাফ উদ্দিন চুন্নু শুভেচ্ছা জানাতে আসেন। আরও যারা শুভেচ্ছা জানাতে আসেন তারা হলেন জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, চ্যানেল ওয়ানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং অব ফাইন্যান্সের পরিচালক আব্দুল মান্নান, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) সভাপতি হাসান জাবেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না প্রমুখ।
