সরকারি কেনাকাটায় ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা

বাংলাদেশ চিত্র
প্রকাশ : ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ পিএম

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন আইনে ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণির দরপত্রদাতার অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ সুবিধা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২৬তম বৈঠকে খসড়াটি নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) উদ্যোগে আইনটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন আইনে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা, দরপত্রে প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং বিভিন্ন শ্রেণির দরদাতার অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণের বিধান রাখা হয়েছে। নতুন, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নারী দরপত্রদাতা এবং সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালি আধুনিকায়ন, সরকারি সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির অধিকতর প্রয়োগ এবং পেশাগত অসদাচরণ-সংক্রান্ত বিধান আরও স্পষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থা চালুর বিধানও যুক্ত করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ক্রয়ের মূল আইনি কাঠামো ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬’ এ পর্যন্ত ছয় দফা সংশোধন করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ২১ সেপ্টেম্বর ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করে আইনটিতে পরিবর্তন আনা হয়।

নতুন সংশোধনী আইনের খসড়াটি জনমত যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) ও আইএমইডির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জারি করা অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করতে বিলটি জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

বাংলাদেশ চিত্র অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন