কুয়ালালামপুর মিনি ঢাকায় অভিযান

বাংলাদেশ চিত্র
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

Malaysia news
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের বহুল পরিচিত এলাকা জালান সিলাং বিদেশি শ্রমিকদের উপস্থিতির কারণে যাকে অনেকেই ‘মিনি ঢাকা’ নামে চেনেন। সেখানে আবারও অভিযান পরিচালনা করেছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ। অভিযানে মোট ৮২৩ জন অভিবাসীর কাগজপত্র পরীক্ষা করা হলেও তাদের সবার অবস্থান বৈধ বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর প্রায় ২টা ৪৫ মিনিটে মাসজিদ জামেক এলাকা থেকে শুরু করে লেবুহ পুদু হয়ে জালান সিলাং পর্যন্ত এই তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুত্রাজায়াভিত্তিক ইমিগ্রেশন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট ইন্সপেক্টোরেটের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, তল্লাশি অভিযানের সময় মোট ৮২৩ জন অভিবাসীর পরিচয়পত্র ও অবস্থান সংক্রান্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যাদের পরীক্ষা করা হয়েছে তাদের প্রত্যেকের কাছেই মালয়েশিয়ায় অবস্থানের বৈধ পাস ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া গেছে। কেউ কাজের ভিসায়, আবার কেউ পর্যটক হিসেবে দেশটিতে অবস্থান করছেন।

লোকমান আরও জানান, অভিযানের সময় মিয়ানমার, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও জার্মানির নাগরিকদের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। তবে কারও অবস্থান অবৈধ পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযান দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকাকে ইমিগ্রেশন বিভাগ ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেসব এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট বিভাগের পরিচালক বাসরি ওসমানও উপস্থিত ছিলেন।

দাতুক লোকমান বলেন, জালান সিলাং এমন একটি এলাকা যেখানে প্রতিদিনই বিপুল সংখ্যক বিদেশি নাগরিকের সমাগম ঘটে। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা ও অভিবাসন নীতিমালা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার কোনো এলাকাই ইমিগ্রেশন আইনের বাইরে নয়। দেশে অবস্থানরত প্রত্যেক বিদেশি নাগরিককে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের বিধান মেনে চলতে হবে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও বিদেশি নাগরিকদের উপস্থিতি বেশি এমন এলাকাগুলোতে নিয়মিত নজরদারি ও তল্লাশি অভিযান চালানো হবে, যাতে অবৈধভাবে বসবাস বা কাজ করার সুযোগ কেউ না পায়।

বাংলাদেশ চিত্র অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন