খার্গ দ্বীপ দখলকে ‘শেষ বিকল্প’ হিসেবে দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন: সিএনএন

বাংলাদেশ চিত্র
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখলকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনায় ‘এন্ডগেম অপশন’ বা চূড়ান্ত পর্যায়ের কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসনের একাধিক সূত্র।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া বক্তব্যে পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং হোয়াইট হাউসের দুই কর্মকর্তা জানান, খার্গ দ্বীপ দখলের সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা বহু মাস আগে থেকেই তৈরি করা হয়েছে। তবে উচ্চ ঝুঁকি ও সম্ভাব্য প্রাণহানির আশঙ্কার কারণে এই পরিকল্পনা বারবার স্থগিত করা হয়েছে।

সূত্রগুলোর দাবি, হোয়াইট হাউস ও প্রতিরক্ষা দফতরের ভেতরে ধারণা হলো- খার্গ দ্বীপ দখল বা সেখানে থাকা জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করা গেলে ইরানের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে দেশটির যুদ্ধ সক্ষমতা কার্যত ভেঙে পড়তে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে সংঘাতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

তবে একই সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন যে, এ ধরনের সামরিক অভিযান বাস্তবায়ন করতে হলে বড় পরিসরে স্থলবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের ব্যাপক হতাহতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করেছেন।

এই কারণেই পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস খার্গ দ্বীপ দখলকে এখনও ‘শেষ বিকল্প’ হিসেবে বিবেচনা করছে। যদিও এক্ষেত্রে চড়া উচ্চ মূল্য ও ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে, তারপরও কেবলমাত্র এই কৌশলই যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এর আগে খার্গ দ্বীপের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় একাধিক বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে। তবে সেসব হামলায় দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো সচেতনভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, খার্গ দ্বীপ ঘিরে এই ধরনের কৌশলগত আলোচনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বড় ধরনের সামরিক সিদ্ধান্ত যেকোনও সময় পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। সূত্র: সিএনএন

বাংলাদেশ চিত্র অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন