কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর ইউনিয়ন মফিজউদ্দীন আহমদ উচ্চ বিদ্যালয় এর অ্যাডহক কমিটিতে সভাপতি হতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ূন কবিরের দৌড়ঝাঁপ। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের উপর হামলাকারী আওয়ামীলীগের এ নেতা স্কুলের সভাপতি হতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন জায়গায় তদবির করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়শালঘর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সভাপতি হোন। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিএনপি -জামায়াত ও সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। স্কুল সভাপতি হয়ে স্কুলকে রাজনীতিকরন করেছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির।
এমন একজন কার্যক্রম নিষিদ্ব আওয়ামী লীগ নেতা কিভাবে বিএনপি সরকারের আমলে সভাপতি হওয়ার চেষ্টা করে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় জনগন।
আওয়ামী লীগের নেতাকে কোনভাবেই সভাপতি হতে দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারি করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
আওয়ামী লীগের নেতাকে সভাপতি না করে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সমাজ সেবক সাজ্জাদ হোসেন’কে সভাপতি করতে শিক্ষা সচিব, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক,কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বেলজিয়াম বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান লিটন।
এডহক কমিটির সভাপতি হতে আবেদন জমা দেওয়া তিনজনের দুজনই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন সাজ্জাদ হোসেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদ্বয়কে সভাপতি করলে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির শন্কা করছেন সচেতন নাগরিকরা।
এ বিষয়ে বড়শালঘর ইউনিয়ন মফিজ উদ্দিন আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন বলেন- তিনি আওয়ামী লীগ করেন জানি কিন্তুু আবেদন করেছেন বলেই তালিকায় নাম দিয়েছি। বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে কে সভাপতি হবে।
দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন- এডহক কমিটির সভাপতি করার এখতিয়ার আমার নেই। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে বোর্ডকে জানান বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।
