এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি নির্বাচিত হলে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে এক বছরের জন্য ছুটি নেবেন। গত ১৩ মে জাতিসংঘে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সংলাপে অ্যান্ডোরার এক প্রতিনিধির প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।
অ্যান্ডোরার প্রতিনিধি জানতে চেয়েছিলেন, সাধারণ পরিষদের পূর্ণকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হলে তাকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে কি না। জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, তিনি পদত্যাগ করবেন না।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তার প্রধানমন্ত্রী এটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন যে পূর্ণকালীন দায়িত্ব হিসেবে এই পদটি গ্রহণের জন্য তাকে এক বছরের রেহাই দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, পদত্যাগই একমাত্র বিকল্প নয়। বরং তিনি ছুটিতেও যেতে পারেন।
তার এই বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তার এই ছুটির পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে এই এক বছরের ছুটির প্রস্তাব বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তাকেই অবাক করেছে। কারণ তারা এ ধরনের কোনো ব্যবস্থার বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানতেন না।
বাংলাদেশ সরকারের কার্যবিধি বা ‘রুলস অব বিজনেস’ অনুযায়ী, কোনো মন্ত্রীকে ছুটি দেওয়ার এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। সেই ছুটির সময়ে প্রধানমন্ত্রী নিজে সরাসরি ঐ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে পারেন অথবা অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে অন্য কোনো মন্ত্রীকে সেই দায়িত্ব দিতে পারেন।
