একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামোয় পলিসি থিংক ট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত রাষ্ট্রের বুদ্ধিবৃত্তিক দর্পণ হিসেবে কাজ করে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল দায়িত্ব হলো নির্মোহ গবেষণা, নিখুঁত ডেটা অ্যানালাইসিস এবং বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনার মাধ্যমে নীতিনির্ধারকদের সঠিক পথনির্দেশ করা। কিন্তু বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা বিশ্লেষণ করলে এক গভীর পদ্ধতিগত সংকট ও আস্থার শূন্যতা দৃশ্যমান হয়। যখন দেশের শীর্ষস্থানীয় থিংক ট্যাংকগুলো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে চরমভাবে ব্যর্থ হয় এবং গবেষণার মোড়কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করে, তখন রাষ্ট্রের সামষ্টিক নীতিনির্ধারণী কাঠামোতে এক অনাকাঙ্ক্ষিত অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়। গত দেড় দশকের রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এটি অত্যন্ত পরিষ্কার হয়ে ওঠে যে, পরিসংখ্যান ও গবেষণাকে সুকৌশলে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট জাতীয়তাবাদী শক্তিকে কোণঠাসা করার বিপজ্জনক চর্চা আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে গভীরভাবে শেকড় গেড়েছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর সাম্প্রতিক গবেষণাটি এই প্রাতিষ্ঠানিক অপেশাদারিত্ব ও দায়িত্বহীনতার একটি ধ্রুপদি উদাহরণ। তাদের ‘নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাস: একটি অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দাবি করা হলো জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ সময়ে ৯৫টি শিল্পকারখানা বন্ধ হয়েছে এবং কর্মহীন হয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক। যা প্রকাশের পরপরই ব্যাপক আলোচনা-সমলোচনা শুরু হয়। জাতীয় অর্থনীতিতে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো এই বিশাল ডেটা কোনো মাঠপর্যায়ের বস্তুনিষ্ঠ গবেষণার ফসল ছিল না; এটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের একটি পুরোনো সংবাদের বিকৃত রূপ। আন্তর্জাতিক গবেষণার ‘গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড’ বা বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, যেকোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক ডেটা প্রকাশের আগে ‘ডেটা ট্রায়াঙ্গুলেশন’ বা বহুমুখী যাচাই পদ্ধতিতে তথ্য নিশ্চিত করাটা থিংক ট্যাংকের প্রাথমিক দায়িত্ব। স্রেফ একটি পত্রিকার ওয়েবসাইটের খবরের ওপর ভিত্তি করে সামষ্টিক অর্থনীতির এমন একটি ভয়াবহ উপসংহার টানা অ্যাকাডেমিক চর্চায় চরম বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব।
সবচেয়ে বিস্ময়কর ও হতাশাজনক দিকটি হলো, এত বড় একটি ভুল ধরা পড়ার পর তারা স্রেফ একটি ‘দুঃখ প্রকাশ’ করে দায় সেরেছে এবং বলেছে, “তথ্য ভুল হলেও উদ্বেগ অমূলক নয়।” একটি থিংক ট্যাংকের কাছে জাতি কোনো ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ‘উদ্বেগ’ শুনতে চায় না, তারা চায় নিরেট সত্য। মিডিয়ার যুগে একটি তথ্য যখন একবার প্রকাশ পায়, তখন তা লক্ষ লক্ষ মানুষের টাইমলাইনে, সংবাদপত্রের শিরোনামে এবং বিদেশি ক্রেতাদের টেবিলে পৌঁছে যায়। কোটি কোটি মানুষের মাধ্যমে যে নেতিবাচক ফ্রেমিং তৈরি হয়ে যায়, তা কি স্রেফ একটি দুঃখ প্রকাশের বিজ্ঞপ্তিতে মুছে ফেলা সম্ভব? এই ভুয়া তথ্যের কারণে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হয়, বায়াররা কার্যাদেশ দিতে ভয় পান এবং অর্থনীতিতে এক ধরনের কৃত্রিম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
থিংক ট্যাংকগুলোর এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত খণ্ডিত তথ্য পরিবেশন কিংবা পেছনের মূল ডেটাকে আড়াল করে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক শক্তিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর ইতিহাস অবশ্য নতুন নয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)-এর দুর্নীতি ধারণা সূচকের দিকে তাকালেই ডেটা ফ্রেমিংয়ের রাজনীতিটি অত্যন্ত পরিষ্কার হয়ে যায়। ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচবার বাংলাদেশকে দুর্নীতির ‘চ্যাম্পিয়ন’ তকমা দেওয়া হয়েছিল। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী এবং তাদের মদদপুষ্ট সুশীল সমাজ আজও এই তথ্যটি ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে লাগাতার নেতিবাচক প্রোপাগান্ডা চালিয়ে থাকে। কিন্তু এর পেছনের পরিসংখ্যানগত, কাঠামোগত ও ঐতিহাসিক বাস্তবতা তারা সুকৌশলে এড়িয়ে যান এবং টিআইবিও কখনোই এই সত্যটি জাতির সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেনি।
বাস্তবতা হলো, ২০০১ সালের জুনে যখন টিআইবির প্রতিবেদনে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো দুর্নীতিতে শীর্ষস্থান দখল করে, তখন দুর্নীতির স্কোর ছিল সর্বনিম্ন ০.৪। সে সময় ক্ষমতায় ছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এবং সেটি ছিল তাদের মেয়াদের একেবারে শেষ দিক। অর্থাৎ, দুর্নীতির ওই ভয়াবহ প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং সূচকের ওই চরম অবনমন কোনোভাবেই বিএনপির দায় ছিল না; বরং এটি ছিল পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘমেয়াদি দুঃশাসন, লুটপাট এবং নীতিগত অবক্ষয়ের চূড়ান্ত প্রতিফলন। ২০০১ সালের অক্টোবরে বিএনপি যখন সরকার গঠন করে, তখন তারা কার্যত একটি দুর্নীতিগ্রস্ত ও ভঙ্গুর রাষ্ট্রকাঠামো উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিল। কিন্তু বিএনপির শাসনামলে দুর্নীতির এই সূচকে বাংলাদেশের প্রকৃত স্কোরের দিকে তাকালে এক সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং ইতিবাচক চিত্র ফুটে ওঠে, যা আন্তর্জাতিক রেটিং প্রকাশের সময় সুপরিকল্পিতভাবে ব্ল্যাকআউট করা হয়েছে। টিআই-এর নিজস্ব পরিসংখ্যানই বলছে, বিএনপি সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কাঠামোগত পদক্ষেপের কারণে ২০০২ সালে বাংলাদেশের স্কোর বেড়ে দাঁড়ায় ১.২। এরপর এই স্কোর ক্রমান্বয়ে উন্নত হয়ে ২০০৩ সালে ১.৩, ২০০৪ সালে ১.৪, ২০০৫ সালে ১.৫ এবং ২০০৬ সালে তা ২.০-তে উন্নীত হয়। অর্থাৎ, গাণিতিক সূচকের মান অনুযায়ী দেশে দুর্নীতি তখন ধারাবাহিকভাবে কমছিল। পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলতে বিএনপি সরকারই প্রথম স্বাধীন ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’ গঠনসহ নানা কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করেছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক রেটিংয়ের ক্ষেত্রে এই ‘ট্রানজিশনাল লিগ্যাসি’ বা স্কোরের ধারাবাহিক উন্নতির বিষয়টিকে আড়াল করে স্রেফ ‘টানা পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন’ তকমাটিকেই সামনে এনে একটি একপেশে বয়ান প্রতিষ্ঠিত করা হলো, যার ফলে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে মিথ্যা অপপ্রচারের শিকার হতে হয়েছে বিএনপিকে।
এই কাঠামোগত অপপ্রচারের ইতিহাস কেবল এগুলোর মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। বিগত দুই দশক ধরে আমরা দেখেছি, দেশের বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা তাত্ত্বিকভাবে একটি নির্দিষ্ট দলের গবেষণা উইং বা একই মনোভাবাপন্ন হলেও, আন্তর্জাতিক পরিসরে এটি প্রভাবশালী থিংক ট্যাংক হিসেবে কাজ করেছে। তাদের মূল কাজই ছিল গবেষণাপত্রের মোড়কে বিএনপির বিরুদ্ধে লাগাতার অপপ্রচার চালানো। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিদেশি দূতাবাসগুলোর কাছে তারা সুপরিকল্পিতভাবে বিএনপিকে ‘জঙ্গিবাদের মদদদাতা’ হিসেবে ফ্রেমিং করেছে। অথচ ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের শাসনামলে বিএনপি সরকারই জেএমবি বা বাংলা ভাইয়ের মতো চরমপন্থিদের গ্রেপ্তার ও বিচার করে জঙ্গিবাদ দমনে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। সিআরআই সহ বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা তাদের ডেটায় সেই সত্যটি পুরোপুরি ব্লাকআউট করে উল্টো ভীতি ছড়িয়েছে।
এর বাইরে বিগত সময়ে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির মতো সমমনা প্ল্যাটফর্মগুলো মানবাধিকার ও গবেষণার নামে নীতি-নির্ধারণী লবিস্ট হিসেবে কাজ করেছে। তারা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে পরিকল্পিতভাবে বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে চিত্রিত করেছে। বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী যখন গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছিলেন, তখন এসব সংগঠন তা নিয়ে নীরব থেকে উল্টো বিএনপিকেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রবক্তা হিসেবে ফ্রেমিং করেছে। ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ এবং বিভিন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ জোট ২০১৪ ও ২০১৮ সালের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনগুলোর সময় ডেটা ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের পরোক্ষ বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং নির্বাচনী সংকটের দায় সূক্ষ্মভাবে বিএনপির ঘাড়ে চাপিয়েছে। বিএনপির বিরুদ্ধে গত দুই দশকে যে পরিমাণ ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ এবং ‘রিসার্চ ট্রায়াল’ হয়েছে, পৃথিবীর খুব কম রাজনৈতিক দলের ভাগ্যেই এমনটি জুটেছে।
বর্তমানের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাকালেও আমরা টিআইবির সেই একই একপেশে ও বিতর্কিত ভূমিকার পুনরাবৃত্তি দেখতে পাই। সম্প্রতি নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ এবং তাঁর নাগরিকত্ব ইস্যুকে কেন্দ্র করে টিআইবি যে অযাচিত বিবৃতি দিয়েছে, তা তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাষ্ট্রের আইনমন্ত্রী অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে নিশ্চিত করেছেন যে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করেছেন এবং তাঁর নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো সাংবিধানিক বা আইনি ব্যত্যয় ঘটেনি। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই দ্ব্যর্থহীন ব্যাখ্যার পরও বিষয়টিকে কৃত্রিমভাবে জিইয়ে রেখে টিআইবির এই মিডিয়া ট্রায়াল চালানোর উদ্দেশ্য আদতে কী?
আন্তর্জাতিক কূটনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যখন একটি স্বাধীন, ভারসাম্যপূর্ণ ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে, ঠিক তখনই এই কৃত্রিম বিতর্কগুলো তৈরি করা হচ্ছে। মক্কা নিরাপত্তা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে একটি শক্তিশালী প্রতিবেশী রাষ্ট্র এবং তাদের এদেশীয় দোসরদের প্রচ্ছন্ন উদ্বেগ অত্যন্ত স্পষ্ট। আঞ্চলিক আধিপত্যবাদীরা কোনোভাবেই চায় না বাংলাদেশ তার নিজস্ব বলয় তৈরি করে আধিপত্যবাদের শেকল থেকে মুক্ত হোক। এই স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে মেরুদণ্ড দেখাচ্ছে, তা ভাঙতেই মূলত প্রতিমন্ত্রীর ওপর এই সংঘবদ্ধ আক্রমণ ও মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হচ্ছে।
একটি বিকাশমান রাষ্ট্রে নীতিনির্ধারক এবং সিভিল সোসাইটি উভয় পক্ষেরই সমান পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন। মুক্তচিন্তার স্বাধীনতা যেকোনো রাষ্ট্রের ভিত্তি হলেও, তার সমান্তরালে জবাবদিহির প্রশ্নটিও অবিচ্ছেদ্য। গবেষণায় ভুল হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়, কিন্তু সেই ভুল যখন চরম অবহেলা, পক্ষপাতিত্ব এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিডিয়া ফ্রেমিংয়ের ফসল হয়, তখন তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্যই হুমকিস্বরূপ। সিপিডির মতো স্রেফ ‘দুঃখ প্রকাশ’ করে পার পেয়ে যাওয়া কিংবা টিআইবির মতো খণ্ডিত তথ্য দিয়ে রাজনৈতিক ফ্রেমিং তৈরি করার সংস্কৃতির অবসান হওয়া প্রয়োজন। থিংক ট্যাংক বা গবেষণা সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের আদলে এখন একটি স্বাধীন রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি। অপপ্রচারের এই জাল ছিন্ন করে প্রকৃত সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরার জন্য এখন একটি নির্মোহ ও স্বাধীন বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ প্রয়োজন। মিথ্যা অপপ্রচার, বিদেশি মদদপুষ্ট এজেন্ডা ও মিডিয়া ট্রায়ালের দিন শেষ; এখন সময় এসেছে একান্তই বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করার।
শেখ রিফাদ মাহমুদ, কলামিস্ট ও বিশ্লেষক
